Showing posts with label চটিগল্প. Show all posts
Showing posts with label চটিগল্প. Show all posts

যুবতি বধুর যৌন কাহিনী-5

আমি আনন্দের সাথে খাচ্ছিলাম কিন্তু মেজদার দিকে তাকিয়ে কষ্ট হোচ্ছিল বেচারাকে আমার জন্য এত লোকের সামনে বকা খেতে হল। তাই খাওয়া শেষ হলে আমি মেজদার হাত ধরে সরি বললাম। মেজদা একটা ম্লান হাসি হেসে বললতুই সরি বলছিস কেন দোষটাতো আমারই এরপর যে যার ঘরে শুতে চলে গেলাম। খুব আনন্দ হচ্ছিল ঝিমলিকে সুখবরটা দেওয়ার জন্য তর সইছিলনা। রাত্রে আমি অন্তর্বাস পরে ঘুমাইনা তাই ম্যাক্সিটা খুলে ব্রা আর প্যান্টিটা ছাড়ছিলাম। আয়নাতে নিজের নগ্ন দেহ দেখে আবার একবার মাস্টার্বেট করার ইচ্ছা হল। আর ইচ্ছানুসারে খাটের ওপর শুয়ে শুয়ে মাস্টার্বেট করতে লাগলাম। লক্ষ্য রাখলাম যাতে বেশি জোর চিকার না করি। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমার অর্গাজম হয়ে গেল, এই নিয়ে চতুর্থবার আজকের মত। শরীরটা খুবই ক্লান্ত হয়ে গেছিল, কষ্ট করে নাইটি পরে শুয়ে ঘুমিয়ে পরলাম। পরের দিন স্কুলে যাবার সময় বাবা বলল একবার ঝিমলির সঙ্গে কথা বলবে কালকের ব্যাপারে। আমি প্রচন্ড ভয় পেয়ে গেলাম কিন্তু মুখে কিছু প্রকাশ করলাম না। বাবার সঙ্গে স্কুটারে যেতে যেতে দেখি ঝিমলি আমার জন্য স্কুলের গেটে অপেক্ষা করছে। আমি ইসারায় ওকে ভেতরে যেতে বললাম। কি বুঝল জানি না তবে চুপিচুপি বাবার অলক্ষ্যে স্কুলের ভেতরে চলে গেল। স্কুলে পৌঁছে বাবা বললযা দেখ ঝিমলি এসেছে কিনা আমি ওয়েট করছি আমি তখন বললামকতক্ষন ওয়েট করবে যদি না আসে, ট্রেন মিস হয়ে যাবে তোমার। তার চেয়ে বিকেল বেলা মা যখন নিতে আসবে তখন ঝিমলির সাথে মায়ের কথা বলিয়ে দেব বাবা কি বুঝল জানিনা িন্তু আমায় নিশ্চিন্ত করে বললসেই ভাল আমি কলেজে গিয়ে তোর মাকে একটা ফোন করে দেব এই বলে বাবা চলে গেল আর আমিও নাচতে নাচতে স্কুলে ঢুকলাম। গেটের পাশেই ঝিমলি দাঁড়িয়ে ছিল আমাকে দেখে খুব চিন্তিত গলায় জিজ্ঞেস করলকি ব্যাপার”? আমি ওকে জড়িয়ে ধরে বললামব্যাপার খুব ভাল তারপর একটু নির্জন জায়গায় গিয়ে কাল রাতের ঘটনা ওকে বললাম। তারপর ওকে একটা কিস করে বললামএবার থেকে আমরা রোজ ছুটির পর তোর বাড়িতে গিয়ে মজা করতে পারব ঝিমলিও খুব খুশি হল কিন্তু বললরোজ নয় তাহলে লোকে সন্দেহ করবে মাঝে মাঝে তোর বাড়িতে গিয়ে সময় কাটাব কারণ অতি লোভে তাঁতি নষ্ট এর পর স্কুল ছুটির পর প্রয়ই ঝিমলিদের বাড়ি গিয়ে একে অপরকে যৌন সুখ দিতাম

এরপর ভাল করে চান করে নতুন একটা সালোয়ার কামিজ পরে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলাম। বেরিয়ে দেখি সবাই আমার জন্য চিন্তিত হয়ে বসে আছে। আমাকে দেখে মা কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু বৌদি মা কে থামিয়ে দিয়ে বলল ওই তো অনু, আমি বললাম না চিন্তার কিছু নেই মাসির বাড়ি এসে বেশি বেশি খাচ্ছে। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল "কি পেট টেট ঠিক আছে তো"? প্রশ্নটা শুনে আমি একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম কিন্তু পরোক্ষনেই বুঝতে পারলাম বাথরুমে এতক্ষন সময় কাটানোর জন্য সবাই উদ্বিগ্ন। সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম না না চিন্তা করার কিছু নেই আমি ঠিক আছি। বৌদি তখন সবার উদ্দেশ্যে বলল ঠিক আছে তাহলে আমি বেরোচ্ছি। আমি প্রশ্ন করলাম কোথায় যাচ্ছ। বৌদি বলল বাপের বাড়ি, মা কে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাব। তারপর মাসির দিকে তাকিয়ে বলল আমি সঞ্জুর (আমার মাসতোতো দাদার ডাকনাম) জিনিস সব প্যাক করে খাটের ওপর রেখেছি। আমি আবার প্রশ্ন করলাম দাদাভাই কোথায় যাবে? এবার উত্তরটা দিল মেসো, বলল তোর দাদাভাই অফিসে কাজে দুদিনের জন্য ব্যাঙ্গালোর যাচ্ছে। এই বলে আমাকে চোখ মেরে বৌদি বেরিয়ে গেল। বৌদি এখন একটা সাদা রঙের থ্রি কোয়ার্টার্স ক্যাপ্রি আর আকাশি রঙের স্লিভলেস টি শার্ট পরেছে। এর সঙ্গে একটা কালো সানগ্লাসে দারুন দেখাচ্ছিল বৌদিকে, আমি মনে মনে বৌদির ড্রেস সেন্সের প্রসংসা করলাম। বৌদি চলে যেতে মা মাসিকে অবাক গলায় জিজ্ঞাসা করল তোমরা এই ভাবে বাড়ির বউকে একা যেতে দিলে? তারপর মেসোর দিকে তাকিয়ে বলল সত্যি জামাইবাবু কাবেরির পোশাক আশাক দেখে ওকে বাড়ির বউ বলে মনেই হয় না। মেসোমশাই হেসে জিজ্ঞেস করল কী মনে হয়, বাড়ির মেয়ে? মাসিমা মেসোকে সমর্থন করে বলল তো আমার মেয়েই। সত্যি খুকু কাবেরি আমার মেয়ে না থাকার অভাব মিটিয়ে দিয়েছে। এবার মেসো বলল কাবেরিও অনুর মত বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান, তছাড়া তোদের মত ওদের জয়েন্ট ফ্যামেলি নয়, বাবা মায়ের অসুখ বিসুখে একমাত্র মেয়ে পাশে থাকবে না তো কে থাকবে। মা তখন নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলল না না আমি সেই ভেবে কথা বলিনি। মায়ের অস্বস্থি হচ্ছে দেখে মেসো প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে বলল তবে যাই বলি খুকু অনুকে দেখে তোদের বাড়ির মেয়ে নয় বউ বলে মনে হয়। মা তখন ঠোঁট উলটে বলল আমাদের যা ঠিক মনে হয়েছে সেই ভাবে মেয়েকে মানুষ করেছি, এই বার তো অনুর বিয়ে হয়ে যাবে তারপর ওর বর বা ওর শ্বশুর বাড়ির লোক যেমন ভাল মনে করবে তেমনি পোশাক পরবে। মেসো এই কথা শুনে আমকে জিজ্ঞাসা করল "কিরে অনু তোর কি মত, বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে যদি ওয়েষ্টার্ন পরতে বলে পরবি" আমি মেসোর দিকে ম্লান হেসে উত্তর দিলাম " আমার মতের কি দাম আছে বিয়ের আগে বাবা মা গলা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে রাখা পোশাক পরাতে চেয়েছে, পরেছি। বিয়ের পর যদি বর বলে ওয়েষ্টার্ন পরতে তাহলে তাই পরব আর যদি বলে কিছুই না পরতে তাহলে সারাদিন নগ্ন হয়ে থাকব" আমার কথা শুনে সবাই চুপ করে গেল। আমিও বুঝতে পারলাম একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে। মাসি প্রসঙ্গ ঘোরানোর জন্য মেসোকে বলল অনেক বেলা হয়ে গেছে শুতে চল। আমাদের উদ্দেশ্যেও বলল তোরাও শুতে যা। আমি বিনা বাক্যব্যায়ে আমাদের ঘরের দিকে হাঁটা দিলাম। মাও আমায় অনুসরন করল। ঘরে ঢুকে মা দরজার ছিটকিনি বন্ধ করে দিল। ছিটকিনি বন্ধের শব্দে আমি চমকে গেলাম সাধারনত দিনের বেলা আমরা দরজা বন্ধ করে ঘুমাই না। মার দিকে তাকিয়ে দেখি মায়ের চোখে জল। আমার চোখে রেখে প্রশ্ন করল "তোমায় যে ভাবে আমরা বড় করেছি তাতে তুমি অসুখি"? আমি মায়ের প্রশ্নের সোজা উত্তর না দিয়ে একটা পুরনো ক্ষোভ উগড়ে দিলাম। আমিও মায়ের চোখে চোখ রেখে বললাম "মা তোমার মনে আছে দাদাভাই যখন চাকরি পেল, আমি তখন সবে টেনে উঠেছি। প্রথম মাসের মাইনে পেয়ে আমার জন্য একটা দামি জিন্সের প্যান্ট আর স্লিভলেস টপ উপহার পাঠিয়েছিল। কিন্তু তোমরা আমকে সেটা কোনদিন পরতে দাওনি" ওই রকম পোশাক আমি পরিনা বলে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলে। আমার কথা শুনে মা হতভম্বের মত বলল "ওই সামান্য ব্যাপারটা তুই এখন মনে রেখেছিস" আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না কেঁদে ফেললাম। কাঁদতে কাঁদতে মাকে বললাম "এটা সামান্য ব্যাপার নয়। তোমরা চিরকাল আমাকে বুঝিয়ে এসেছ ওই রকম জামা কাপড় কেবল বেজে মেয়েরাই পরে। বৌদিও তো ওই রকম ড্রেস পরে বৌদি বাজে মেয়ে, ঝিমলিও ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরে বাজে মেয়ে নাকি ওর বাবা মা অশিক্ষিত বেজে লোক"? আমার প্রশ্নের কোন সদুত্তর মার কাছে ছিল না। মা আমার মত হাউ হাউ করে কাঁদতে কাঁদতে আমায় জড়িয়ে ধরে বলল "আমরা তোকে দুঃখ দিতে চাইনি, আমাদের যা ভাল মনে হয়েছে তাই করেছি" তারপর একটু থেমে চোখের জল মুছে বলল "তুই এখন বড় হয়ে গেছিস এখন তোর যা ভাল লাগে তাই পরিস। বাড়ির পার্মিশনের জন্য তোকে চিন্তা করতে হবে না সে দায়িত্ব আমার" আমি ম্লান হেসে বললাম এখন আর চেঞ্জ করে কি হবে কদিন পরেই তো আমার বিয়ে হয়ে যাবে। তুমি বরং প্রার্থনা কর যাতে আমার শ্বশুর বাড়িও মাসির বাড়ির মত হয়। মা কিছু বলতে যাচ্ছিল আমি থামিয়ে দিয়ে বললাম আর এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভাল লাগছেনা চল শুয়ে পরি। এই বলে আমি মাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পরলাম